বাংলায় একখানা কথা আছে,
সব রসুনের গোড়া এক জায়গাতেই।
দিন কয়দিন আগে, ৩৪ ভার্সিটির ভিসি কোমরে গামছা বাইন্ধা নামছে, কথাখানি একদম থিসিস কইরা, বাস্তবে প্রয়োগ কইরা সঠিক প্রমাণিত করতে। ঐ থিসিসের লাইগাই জরুরি আলাপ আলোচনা করিয়াছিলেন সম্মানিত বিচি -থুক্কু ভিসি সাহেবরা ।
কথা হইলো রসুনের পাছা তো আল্লাহ জন্মের থেইকাই একসাথ কইরা দিছে, ভিসি সাহেবদের পাছা হঠাৎ একসাথ হইলো কিভাবে।
আমি আজাইরা বইসা থাইকা, কিছুক্ষণ চিন্তা কইরা, উনাদের পাছা একসাথ হওয়ার একটা হাইপোথেসিস দাঁড়া করাইসি। আশা করি নিরাশ হইবেন না পইড়া।
দেখেন ভাই, পায়ের চিপায় দুইটা বিচি যেমন আকারে উনিশ বিশ, ৩৪ জন বিচি ও কাজে কর্মে উনিশ বিশ। এখন ধরেন, আন্দোলন হইলো, ফরিদ বিচির orchiectomy হইয়া গেল। তখন অন্য বিচিরাও কিন্তু মোটামুটি রিস্কে পইড়া গেল। কারণ আন্দোলনটা উনাদের ক্যাম্পাসেও হইতে পারে, গদি উনাদের ও নড়তে পারে। সাস্ট এর এই ১দফা আন্দোলন একটা সূচনা হত তখন, একটা দিকনির্দেশনা হত। অন্য ভার্সিটির স্টুডেন্টরাও একটা সাহস পাইয়া যাইতো। তারাও ভাবতো, বিচিদের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবো, আর ফরিদ বিচি যেহেতু নামসে, দ্যাট মিন্স, সেইম ওয়ে তে অন্য বিচিরাও নামবে।
এই রিস্ক, কোনো সেইরকম কাজ না কইরা,এসি রুমে বইসা থাইকা, কোটি টাকা মাইরা খাওয়া বিচিরা ঠিকই বুঝতে পারিয়াছিলেন। তাহারা তাহাদের মুখাস্ত কইরা পাশ করা মস্তিষ্ক দিয়া সরকারের পা চাইটা ভার্সিটির মানোন্নয়ন করিতে না পারিলেও, এইডা যেকোনো রাস্তায় ঠেকানোর মাস্টার প্ল্যান লইয়া মাঠে নাইমা পড়লেন। চিন্তা করিলেন, সবার পাছা যদি একসাথে করি, তাহলে সম্মুখ বিপদের মোটামুটি মোকাবেলা করা যাইবে। যেই চিন্তা, সেই কাজ। সব বিচির-ই মোটামুটি ভালো পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড। একজনের পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড না হয় সরকার চুদলো না, কিন্তু ৩৪ জনের ব্যাকগ্রাউন্ড না চুদলে তো সরকারের ও ভারি বিপদ। সরকারেরও চোদা লাগলোই। ফরিদ বিচি এখন পইড়া গেলেন মাইনকার চিপায়। সরকার ও অন্য বিচিরা চাপ দিলো, দরকার হইলে সেল্ফ রেস্পেক্টরে হোগা মাইরা কবর দিয়া দাও, কিন্তু ফরিদ , তুমি মনা, পদত্যাগ চোদাইবা না। তিনিও চোদাইলেন-ও না। আন্দোলন ফান্দোলন যাই হইবো, দায়িত্ব এখন হাছিনা আপার সরকারের , উনারা ট্যাকল দিবেন।হাছিনা আপার সরকার ট্যাকল দিলেন ও সুন্দর কইরা। আপনাদের কাছে জাফর সাহেব যেমন-ই হোক না কেন, সাস্টিয়ানদের মনে জাফর সাহেবের জন্য আলাদা একটা আবেগ ও রেসপেক্টের জায়গা আছে। সেই আবেগ ও রেসপেক্টের সদ্ব্যব্যবহার জাফর সাহেবও করলেন। না হলে চিন্তা করেন, যেই মানুষ এখন পর্যন্ত যত আন্দোলন হইসে , কোনো আন্দোলনের পক্ষেই সাহস কইরা শক্ত কোনো কথা কইলো না, সাস্টে যাইয়া অনশন ভাইঙা উনার গলার আওয়াজ এত শক্ত হইয়া গেল কেমতে? কেমতের উত্তর হইলো, এইবার তো হাসিনা আপার সরকারের সিক্রেট মিশন করতেই আসছেন উনি। উনার ব্যাকবোন ধইরা রাখছে পিছন থেইকা ,এইজন্যই তো ব্যাকবোন-টা সোজা কইরা দুইটা কথা কইলেন, না হলে তো বুদ্ধিজীবিরা যে ,"আপুন ঝুকেগা নেহি" ইহা জপ কইরা ব্যাকবোনটা সোজা কইরা রাখতে হয় ,ইহা ভুইলা যান মাঝে মাঝেই।
জাফর সাহেবের আলাপ বাদ-ই দিলাম, আসি ফরিদ বিচির আলাপে। অনেকদিন না লিখলে এই সমস্যা , ডিস্ট্র্যাক্ট হইয়া যাই।
ফরিদ বিচি হয়তো পদত্যাগ করবেন শীঘ্রই , কিন্তু উপরমহল সাক্সেসফুল। বিচির পদত্যাগ যে , আন্দোলনের ফল ইহা বুঝানো যাইবে না শুধু। ইহা বুঝাইলেই সমস্যা। ছাত্রসমাজ একটা কনফিডেন্স পাইয়া যাবে। একটা আন্দোলন সাক্সেসফুল দেখা গেলে, আরো আন্দোলন ডিজেল পায় বুঝলেন। সমস্যাটা এইখানেই। এইটা ঠেকাইতেই সরকারের ফরিদের প্রতি এত মায়া, এত নাটকের মঞ্চায়ন। এতদিন ধইরা গদি ধইরা রাইখা ,বাল(BAL) ভালোই পলিটিক্যাল ট্যাকটিক্স শিখছে।
কয়দিনের মধ্যেই দেখবেন, মমতাময়ী সম্মানিত হাছিনা আপা ওরফে গণতন্ত্রের মাদার, ফরিদ বিচিরে একদম চান্দে পাঠায়া দিবেন।
আন্দোলনের কোনো অফিশিয়াল ক্রেডিট নাই, আন্দোলন শেষ হওয়ার আগেই দাবী মানা হয় নাই বইলা, কিন্তু হাছিনা আপার সরকারের ক্রেডিট ঠিকই আছে। উনারাই সঠিক বিচার কইরা বিচিরে চান্দে পাঠাইলেন বইলা কথা।
[বিঃদ্রঃ উপোরক্ত লিখাটিতে টাইপিং মিস্টেকে ভিসি এর জায়গায় বিচি লিখা হয়েছে। এইজন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত।
আর কিছু বলার আগে হাইপোথেসিসের অর্থ গুগল কইরা নিয়েন। উপোরক্ত লিখাটি কাল্পনিক। আসলেই ঘটতে পারে, না ঘটার সম্ভাবনা বেশি। ]
বিনীত ,
মারসাদ (বিচি ফাটাতে চাই) মহিউদ্দিন
Comments
Post a Comment